-35%বইয়ের বিবরণ
<p><span style="font-family: Calibri, sans-serif; font-size: 14.6667px;">রাজুর বোন বকুলের বিয়ে ঠিক হয়েছে। পরিবারের প্রথম বিয়ে, তাই সেটা নিয়ে বাড়াবাড়ি হইচই। বিয়ের কার্ডে কী লেখা হবে সেটা ঠিক করতেই ইউনিভার্সিটির তিন জন বাংলার বাঘা বাঘা প্রফেসরের সাথে আলোচনা করা হয়েছে। কার্ড ছাপানোর পর মা রাজুকে ডেকে বললেন, রাজু বাবা তুই একবার সিলেট যা।</span><br style="font-family: Calibri, sans-serif; font-size: 14.6667px;"><span style="font-family: Calibri, sans-serif; font-size: 14.6667px;">সিলেট? রাজু চোখ কপালে তুলে বলল, সিলেট কেন?</span><br style="font-family: Calibri, sans-serif; font-size: 14.6667px;"><span style="font-family: Calibri, sans-serif; font-size: 14.6667px;">তোর মামা আছেন, বিয়ের একটা কার্ড দিয়ে আয়।</span><br style="font-family: Calibri, sans-serif; font-size: 14.6667px;"><span style="font-family: Calibri, sans-serif; font-size: 14.6667px;">গিয়ে দিয়ে আসতে হবে কেন? পোস্ট করে দিলেই হয়।</span><br style="font-family: Calibri, sans-serif; font-size: 14.6667px;"><span style="font-family: Calibri, sans-serif; font-size: 14.6667px;">মা জিবে কামড় দিয়ে বললেন, ছিঃ! সবকিছুর একটা নিয়মনীতি আছে না! বিয়ের কার্ড হাতে হাতে দিতে হয়।</span><br style="font-family: Calibri, sans-serif; font-size: 14.6667px;"><span style="font-family: Calibri, sans-serif; font-size: 14.6667px;">রাজু মুখ শক্ত করে বলল, বেশ! তাহলে একটা প্লেনের টিকিট কিনে দাও আমেরিকা গিয়ে ছোট চাচার বিয়ের কার্ডটাও দিয়ে আসি। আসার সময় ডিজনিল্যান্ডটাও দেখে আসব।।</span><br style="font-family: Calibri, sans-serif; font-size: 14.6667px;"><span style="font-family: Calibri, sans-serif; font-size: 14.6667px;">মা চোখ পাকিয়ে বললেন, ফাজলামি করবি না। যা বলেছি কর। ট্রেনে যাবি-আসবি তোর সমস্যাটা কোথায়?</span><br style="font-family: Calibri, sans-serif; font-size: 14.6667px;"><span style="font-family: Calibri, sans-serif; font-size: 14.6667px;">কাজেই রাজুকে বিয়ের কার্ড নিয়ে সিলেট দৌড়াতে হল। সে কলেজে ফার্স্ট ইয়ারে পড়ে। এই বয়সটার নানারকম যন্ত্রণা, ছোট বলে আলাদা করে কেউ আর আলাদা করে খাতির-যত্ন করে না, আবার বড় হয়ে গেছে বলে কেউ স্বীকার করে না। যত রকমের নোংরা কাজগুলো তার ঘাড়ে এসে পড়ে। সিলেট যাওয়া অবশ্যি ঠিক নোংরা কাজের মাঝে পড়ে না। সত্যি কথা বলতে কী সে এই দায়িত্বটা পেয়ে বেশ খুশিই হয়েছে, না হলে তাকে ডেকোরেটরের কাছে আর দর্জির কাছে দৌড়াদৌড়ি করতে হত। তাছাড়া মামার সাথে অনেকদিন দেখাসাক্ষাৎ নেই, একটু পাগলাটে মানুষ—কিন্তু তাদের খুব আদর করেন।</span><br></p>
রিভিউ (0)
এখনো কোনো রিভিউ নেই — প্রথম রিভিউ দিন।
রিভিউ দিতে লগইন করুন।








