
বইয়ের বিবরণ
<table border="0" cellpadding="0" cellspacing="0" width="216" style="width: 162pt;"><tbody><tr height="182" style="mso-height-source:userset;height:136.5pt">
<td height="182" class="xl66" align="left" width="216" style="height:136.5pt;
width:162pt"><br>
ঘোষপাড়ার প্রধানতম পথটার ধারে একখানা বড় টিনের ঘরের সামনের খানিকটা অংশে
বাঁশের মাচার উপর শম্ভুর দোকান। মাটির হাঁড়ি, গামলা, কেরোসিন কাঠের তক্তার চৌকো
চৌকো খোপ, ছোটবড় বারকোশ, চটের বস্তা ইত্যাদি আধারে রক্ষিত জিনিসপত্রের মাঝখানে
শম্ভুর বসিবার ও পয়সা রাখিবার ছোট চৌকি; হাত ও লোহার হাতা বাড়াইয়া এখানে
বসিয়াই শম্ভু অধিকাংশ জিনিসের নাগাল পায়। পিছনে প্রায় এক মানুষ উঁচু পাঁচ
সারি কাঠের তাক। সাবু, বার্লি ও দানাদার চিনি রাখিবার জন্য এক পাশে কাচ বসানো
হলদে রঙের টিন, এলাচ, লবঙ্গ প্রভৃতি দামি মশলার নানা আকারের পত্র, লণ্ঠনের
চিমনি, দেশলাইয়ের প্যাকেট, কাপড়-কাচা গায়ে-মাখা সাবান, জুতার কালি, লজেনচুস
এবং মুদিখানা ও মনিহারি দোকানের আরো অনেক বিক্রেয় পদার্থের সমাবেশে তাকগুলি
ঠাসা। তাকের তিন হাত পিছনে শম্ভুর শয়নঘরের মাটিলেপা। চাচের বেড়ার দেয়াল। তাক
আর এই দেয়ালের সমান্তরাল রক্ষণাবেক্ষণে যে সরু আবছা অন্ধকার গলিটুকুর সৃষ্টি
হইয়াছে, শম্ভুর সেটা অন্দরে যাতায়াত করার পথ।</td></tr></tbody></table>
রিভিউ (0)
এখনো কোনো রিভিউ নেই — প্রথম রিভিউ দিন।
রিভিউ দিতে লগইন করুন।








