
বইয়ের বিবরণ
<table border="0" cellpadding="0" cellspacing="0" width="216" style="width: 162pt;"><tbody><tr height="193" style="mso-height-source:userset;height:144.75pt">
<td height="193" class="xl66" align="left" width="216" style="height:144.75pt;
width:162pt">নীতিবিদ্যাবিষয়ক এই গ্রন্থটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েরদর্শন বিভাগের ‘সমকালীন নীতিবিদ্যা’ কোর্সের পাঠ্যসূচির
সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেপ্রণয়ন করা হয়েছে। গ্রন্থটি মোট সাতটি অধ্যায়ে বিভক্ত।
গ্রন্থের প্রথম ওদ্বিতীয়। অধ্যায়ে সমকালীন নীতিবিদ্যা কী? সমকালীন নীতিবিদ্যা
কীভাবে আদর্শনিষ্ঠনীতিবিদ্যা থেকে পৃথক সে বিষয়ক আলোচনা করা হয়েছে।আলোচনাকে
স্পষ্ট করার জন্যআদর্শনিষ্ঠ নীতিবিদ্যা থেকে পরানীতিবিদ্যার পার্থক্যকে স্পষ্ট
করা হয়েছে।পাশাপাশি সমকালীন নীতিদর্শনের একটি সুস্পষ্ট স্বরূপ উপস্থাপিত
হয়েছে।<br>
তৃতীয়ও চতুর্থ অধ্যায় বিশেষত্বের দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তৃতীয়
অধ্যায়ে সমকালীনপ্রকৃতিবাদের গতিপ্রকৃতি আলোচনা করা হয়েছে। চতুর্থ অধ্যায়ে
প্রকৃতিবাদবিরোধীধারা হিসেবে পরিচিত অপ্রকৃতিবাদী নৈতিক তত্ত্বের বিশদ আলোচনা
স্থান পেয়েছে। এই আলোচনায়অপ্রকৃতিবাদী হিসেবে পরিচিত মূর, রস, প্রিচার্ড,
ক্যারিট, ব্রেনেটনো প্রমুখেরনীতিদর্শন গুরুত্ব পেয়েছে। পঞ্চম অধ্যায়ে
অজ্ঞানজবাদের অপেক্ষাকৃত সঙ্গতিপূর্ণমতবাদ হিসেবে আবেগবাদ আলোচনা করা হয়েছে।
এতে বার্ট্রান্ড রাসেল, যৌক্তিকপ্রত্যক্ষবাদ ও সি. এল. স্টিভেনসনের আলোচনা স্থান
পেয়েছে। ষষ্ঠ অধ্যায়টি সমকালীননীতিবিদ্যার প্রেক্ষাপটে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই
অধ্যায়ে আর. এম. হেয়ার, নোয়েলস্মিথ, স্টিফেন টোলমিন প্রমুখের আলোচনা স্থান
পেয়েছে। সপ্তম অধ্যায়ে সমকালীননীতিদর্শনে জিইয়ে থাকা দীর্ঘদিনের ‘হয়—উচিত’
সম্পর্কিত বিতর্কের নাতিদীর্ঘ পর্যালোচনাউপস্থাপন করা হয়েছে। গ্রন্থটিতে
সমকালীন নীতিদর্শনের ধারানুক্রমিক বিস্তৃত পর্যালোচনানীতিদর্শনের বাংলা ভাষাভাষী
পাঠককে কিছুটা হলেও তৃপ্তি দিতে পারবে বলে আমারবিশ্বাস।</td></tr></tbody></table>








