
শ্রেষ্ঠ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
লেখক: সৈয়দ আজিজুল হক
প্রকাশনী: অবসর
৳608
✓ স্টকে আছে
📚 কাছের লাইব্রেরিতে এই বই খুঁজুন
একই দিনে পিকআপ/লোকাল ডেলিভারি — কুরিয়ারের অপেক্ষা ছাড়াই।
ভাষা
বাংলা
বইয়ের বিবরণ
বৃহত্তর পাঠকসমাজের কাছে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচয় পদ্মানদীর
মাঝি ও পুতুলনাচের ইতিকথা উপন্যাসের লেখক হিসেবে। প্রাগৈতিহাসিক’, ‘সরীসৃপ’,
‘টিকটিকি', ‘হলুদপোড়া’, ‘হারানের নাতজামাই' প্রভৃতি গল্পও তাঁকে দিয়েছে ব্যাপক
পাঠক-পরিচিতি। প্রগতিশীল বামচিন্তার পাঠককুলের কাছে তিনি কমিউনিস্ট লেখক হিসেবে
বিপুলভাবে আদৃত। আর সূক্ষ্ম সাহিত্য রসবোধের অধিকারী পাঠকেরা মানিকের মধ্যে
খুঁজে পান মনোবিশ্লেষণের রূপকার এক অসামান্য জীবনশিল্পীকে। মানব মনস্তত্ত্বের
নিগূঢ় বিশ্লেষক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে মানিকের শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়টি
সর্বজনস্বীকৃত। বস্তুনিষ্ঠ এই লেখক বহির্বাস্তবতার চেয়ে সব সময়ই গুরুত্ব
দিয়েছেন অন্তর্বাস্তবতাকে। মনোবাস্তবতার রূপকার হিসেবেই তিনি কামনা করেছেন।
মানুষের জীবনসংকটের মুক্তি। তিনি একান্তভাবে অনুধাবন করতে চেয়েছেন ব্যক্তি ও
সমষ্টির সংকটের প্রকৃত রূপ। এবং ভেবেছেন তা থেকে তার মুক্তির উপায়ের
কথাও।
মানিকের শিল্পীসত্তার তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো : বাস্তবতাবোধ, বিজ্ঞানচেতনা
ও আধুনিকতা। কল্লোলগোষ্ঠীর লেখকদের ভাবালুতাদোষের বিরুদ্ধে ছিল তাঁর তীব্র
সমালোচনা। এই ভাবালুতা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থেকেই তিনি তাঁর সাহিত্যে পরিস্ফুটিত
করেছেন জীবনের প্রকৃত বাস্তবতা। ফ্রয়েডীয় মনস্তাত্ত্বিক আবিষ্কারের আলোকে
মানিক। মনোবাস্তবতা রূপায়ণে আগ্রহী হলে তার বাস্তবতাবোধে যেমন গভীরতা সৃষ্টি
হয়, তেমনি মার্কসীয় নন্দনভাবনা তার সমাজবাস্তবতার চেতনায় আনে ব্যাপক বিস্তার।
রিভিউ (0)
এখনো কোনো রিভিউ নেই — প্রথম রিভিউ দিন।
রিভিউ দিতে লগইন করুন।
প্রশ্ন ও উত্তর
এখনো কোনো প্রশ্ন নেই — প্রথম প্রশ্নটি আপনি করুন।








