
বইয়ের বিবরণ
<table border="0" cellpadding="0" cellspacing="0" width="216" style="width: 162pt;"><tbody><tr height="208" style="mso-height-source:userset;height:156.0pt">
<td height="208" class="xl66" align="left" width="216" style="height:156.0pt;
width:162pt"><br>
সমাজ বিকাশের ধারায় যন্ত্রযুগের আবির্ভাবের ফলে ঔপনিবেশিকতালগ্ন ভারত
উপমহাদেশের বিশেষভাবে বাংলা সাহিত্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য যে বাইরের জগতের
সঙ্গে পরিচয়ের কারণেই সমৃদ্ধি লাভ করেছে সে কথাটা মনে আসে না। প্রাক্-ব্রিটিশ
যুগে আমাদের কাব্যসাহিত্য যেখানে লোকায়তিক ধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত সেখানে গভীরতা
ও ব্যাপ্তি দুই-ই ছিল। কিন্তু ছন্দ ও প্রকাশভঙ্গিমার বৈচিত্র্য একটা পর্যায়ে
এসে থমকে দাঁড়ায়। ইউরোপের সঙ্গে যোগাযোগের পর নতুনত্ব আসে। আমরা অমিত্রাক্ষর
ছন্দ পাই বাংলা কবিতায় মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রতিভার স্পর্শে। বাংলা কবিতার
জগতে সম্ভবত সেই প্রথম সাংস্কৃতিক অভিঘাত।<br>
প্রাণের স্বচ্ছন্দ বিহার যেখানে ব্যাহত হয়েছে জীবজগতে সেখানে সেই থেমে-থাকা
বিবর্তন আমাদের বিস্মিত করে। মানবসভ্যতার ক্ষেত্রে যেখানে কোনো জনগোষ্ঠী
বিচ্ছিন্ন থেকেছে অবরুদ্ধ ভৌগোলিক পরিবেশে সেখানে সমাজ বিকাশ ও জীবন ধারণের
ব্যাপারটা একই বৃত্তে ঘুরপাক খেয়ে পিছিয়ে রয়েছে।<br>
ইউরোপের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক বিজেতা ও বিজিত হওয়ার জন্য উৎপীড়িত হয়েছি,
শাসিত হয়েছি ঔপনিবেশিক শাসক দ্বারা এটা সত্য। আমাদের ভাবাকাশ সমৃদ্ধ হয়েছে
নতুনতর বিভিন্ন চিন্তা ও চেতনার সংস্পর্শে এসে। তার সবটাই অবিমিশ্র কল্যাণের আকর
তা বলা যাবে না।<br>
এভাবে আমাদের সঙ্গে বাইরের সংস্কৃতির আদান-প্রদান ও সংঘাতের কারণে আমরা
সাহিত্যের ক্ষেত্রে সাংস্কৃতিক বিভাজনকে বড় করে দেখেছি।</td></tr></tbody></table>
রিভিউ (0)
এখনো কোনো রিভিউ নেই — প্রথম রিভিউ দিন।
রিভিউ দিতে লগইন করুন।








