-35%বইয়ের বিবরণ
<table border="0" cellpadding="0" cellspacing="0" width="216" style="width: 162pt;"><tbody><tr height="184" style="mso-height-source:userset;height:138.0pt">
<td height="184" class="xl66" align="left" width="216" style="height:138.0pt;
width:162pt">ভাবুক জীবনশিল্পীদের মনোভুবনে থাকে একএকটি চিরন্তনী নারীর
প্রতিকায়া। তাদের সৃষ্টিলোকেও তার অস্তিত্ব থাকে অন্তঃশীলিত প্রেরণার মতো, এই
নারী হতে পারে কল্পিত আদর্শের প্রতিরূপ অথবা ব্যক্তিঅভিজ্ঞতার ছায়াশরীর। নন্দিত
লেখক হুমায়ূন আহমেদের মানস-নারীর একটি বিশিষ্ট মডেল রয়েছে। সে নারীটি রূপবতী,
মায়াবী, সংবেদনশীলা, প্রকৃতিমনস্কতায় বিশিষ্ট। তাকে ঘিরে হুমায়ুন আহমেদ গল্প
রচনা করেন, কাহিনীর বয়ন ও বয়ানে তার জীবনরূপটিই প্রবলতা পায়। এ ধরনের নারীর
দেখা পাই তার নবনী-মৃন্ময়ী-রূপার কাহিনীতে, যাদেরকে বলা যেতে পারে হুমায়ূন
আহমেদের মানসকন্যা, যারা মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের তরুণী হয়েও গড়পড়তা নারী
নয়, এক-একজন যেন অন্যভুবনের বাসিন্দা। মূল কাহিনীর সঙ্গে তাদের বিজড়ন শুধু
গভীরই নয়, তারাই চালিকাশক্তি। অনেক সময় তাদের দৃষ্টিকোণে ও জবানিতে কাহিনী
অন্তর্বয়িত হয়। নবনী-মৃন্ময়ী-রূপার জীবনকথা একালের রূপকথার মতো পাঠকের হৃদয়
কেড়ে নেয়, তাদের জন্যে পাঠক হৃদয়ে তৈরি হয় উদ্বেল আবেগ ও বাসনা। বাংলা
কথাসাহিত্যে এ ধরনের নারীর মডেল শরৎচন্দ্রের পরে হুমায়ুন আহমেদই বেশি করে
সৃষ্টি করেছেন। এই তিন কন্যার জীবনগল্প পাঠকের অনুভূতিকে যেমন জারিত করে,
পরিস্রত করে তেমনি লেখকের মানসজগতের প্যাটার্নটিকেও ধরিয়ে দেয়। তিন কন্যা
আমাদের স্বপ্নভুবনের eternal she অর্থাৎ চিরন্তনী হয়ে ওঠে।</td></tr></tbody></table>
রিভিউ (0)
এখনো কোনো রিভিউ নেই — প্রথম রিভিউ দিন।
রিভিউ দিতে লগইন করুন।








