-35%বইয়ের বিবরণ
<table border="0" cellpadding="0" cellspacing="0" width="216" style="width: 162pt;"><tbody><tr height="184" style="mso-height-source:userset;height:138.0pt">
<td height="184" class="xl66" align="left" width="216" style="height:138.0pt;
width:162pt">শয়তানের পাহাড় : আফ্রিকার ‘মাউন্টেইনস অভ দ্য মুন বা
চন্দ্র-পাহাড়ে’ সাদা হাতির খোঁজে চলল কিশোর ও মুসা। আদিবাসীরা বলে শয়তানের
পাহাড়। ওখানে বাস করে বজ্রমানব। বট গাছের মতো বড়। হেঁটে যাওয়ার সময় মাটি
কাঁপে। কণ্ঠে হাজার সিংহের গর্জন। চোখে জ্বলে নরকের আগুন। কাজেই, হাতি ধরতে
পর্বতে যাওয়া। মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। কিন্তু বিশ্বাস করল না
কিশোর-মুসা। হাড়ে হাড়ে টের পেল, আদিবাসীদের কথা অগ্রাহ্য করে কী মারাত্মক
ভুলটা করেছে।<br>
ম্যাজিক গেম : আজব দাদুর বাড়ি, এমনিতেই এক ঝামেলার জায়গা। ঝামেলাটা বিপদে পরিণত
হলো, যখন পুরানো খেলনার দোকান থেকে অদ্ভুত এক ম্যাজিক গেম’ কিনে আনল রবিন। তবে
রবিনের কুকুরটা যখন খেলতে গিয়ে খানিকটা জেলির মতো জিনিস খেয়ে ফেলল, শুরু হলো
বিপত্তি।<br>
আবার ম্যাজিক গেম : ফিরে এল আবার ম্যাজিক গেম। লক্ষ করল রবিন, আবার বাড়তে
আরম্ভ করল সবুজ রঙের জেলির মতো জিনিসটা। বাড়ছে। বাড়ছে। বাড়ছে! সেই সঙ্গে
বাড়িয়ে চলেছে একটা গিনিপিগকে। অবশেষে যখন দৈত্যাকার প্রাণীতে রূপ নিল ছোট্ট
প্রাণীটা, দিশেহারা হয়ে পড়ল সবাই।<br>
তিন বন্ধুর অভিযান : কিশোর বন্ধুরা, আমি ফারুক বলছি। ইয়েলোভিলে থাকি আমরা। আমি,
অঞ্জন আর ওয়াসিম। আমাদের সঙ্গে আছে রাকা ও ডগি। এই নিয়ে আমরা হলাম পাঁচ
গোয়েন্দা। প্রশ্ন উঠল, কে আমাদের নেতা হবে? একমত হলাম, একটা রহস্য সমাধানে যে
বেশি ভূমিকা রাখতে পারবে, তাকেই নেতা বলে মেনে নেব।<br>
হারানো নেকলেস : ‘যাক, রহস্য একটা পাওয়া গেল শেষ পর্যন্ত, অঞ্জন বলল। ফারুক
বলল, তবে এটা সাধারণ রহস্য নয়। কোনখান থেকে শুরু করব, তা-ই বুঝতে পারছি।<br>
গুপ্তধনের খোঁজে : পুরানো একটা দুর্গ দেখতে গিয়ে নতুন রহস্যের খোঁজ পেয়ে গেল
তিন বন্ধু অঞ্জন ওয়াসিম ফারুক। খুঁজতে শুরু করল ওরা। ভয়ঙ্কর শত্রু লাগল পেছনে,
কোনো কিছুই যাদের ঠেকাতে পারে না। তিন বন্ধুর জন্য এ এক বিরাট চ্যালেঞ্জ।</td></tr></tbody></table>
রিভিউ (0)
এখনো কোনো রিভিউ নেই — প্রথম রিভিউ দিন।
রিভিউ দিতে লগইন করুন।








